Wednesday, December 27, 2017

 ব্যথা
বন্ধুগণ নমস্কার আপনাদের অনুরোধে এই সংকলন টা লিখলাম ! এই সাহিত্যগুলি সব বিদেশী ভাষায় পাবলিশ হয় তার সঠিক বাংলা লেখা খুব কঠিন তাছাড়া টেকনিকাল শব্দ গুলোকে বাংলায় ট্রান্সলেট করলে অদ্ভুত মানে বেরিয়ে আসে ! তাই এতো দেরি হলো ! আমাদের মধ্যেই অনেকে নিজের ডাক্তারি নিজেই করি তাই ব্যাথার পুনঃ আভিবাব হয় ! ব্যাথা হলে ডাক্তার বাবুর কাছে যাবেন পেন কিলার খাবেন না !

ব্যথার ধরন এবং শ্রেণীবিন্যাস

ব্যথা--- ব্যাথা আমাদের শরীরের একটি বিশেষ অনুভূতি বা গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সরঞ্জামগুলির মধ্যে একটি ! ব্যাথা আছে বলেই আমাদের শরীর নিরাপদ ! উদাহরণস্বরূপ কল্পনা করুন, যদি আপনি একটি গরম বস্তুর উপর আপনার হাত রাখেন আর তখন যদি আপনার কোনো অনুভূতি না হয় তো আপ্ননার হাত ক্ষতি গ্রস্ত হয়ে যাবে! ব্যথা শরীরের এমন একটি উপায় যা আপনাকে কোনো ভুল কাজ করার থেকে সাবধান করে আপনাকে বিপদ মুক্ত থাকবার জন্য আদেশ করে এবং আদেশ অমান্য করলে শাস্তির প্রবলতার বৃদ্ধি হয় আর আদেশ পালন করলে শরীর বিপদ মুক্ত হয় !

ব্যথার ধরন-- মৌমাছির হুল , হাড় ভাঙা , বা দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা থেকেও আসতে পারে - এটি একটি অপ্রীতিকর সংবেদী এবং মানসিক অভিজ্ঞতাও। এর একাধিক কারণ আছে, এবং মানুষ একাধিক এবং স্বতন্ত্র উপায়ে এই অনুভূতির সাড়া দিয়ে থাকে। যদিও ব্যথার অনুভূতি এক ব্যক্তির থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়, তবুও বিভিন্ন ধরনের ব্যথাগুলিকে শ্রেণীভুক্ত করা সম্ভব। এখানে বিভিন্ন ধরনের ব্যথার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হচ্ছে যেগুলি তাদের এক অপরের থেকে ভিন্ন প্রমান করে।

১]তীব্র (অসহ্য) ব্যথা এবং (ক্রনিক)দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা
ব্যথাকে শ্রেণীভুক্ত করার জন্য বেশ কয়েকটি উপায় আছে।যেমন তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মধ্যে তফাৎ করা সম্ভব ।তীব্র ব্যথা হঠাৎ আসে এবং একটি সীমিত সময়ের জন্য আসে ।এটি হাড়, পেশী, বা অঙ্গ, এবং প্রারম্ভিক ভাবে টিস্যু ক্ষতির দ্বারা, ঘন ঘন উদ্বেগ বা মানসিক কষ্ট দ্বারা,উৎপন্ন হয়।
ব্যথা শ্রেণীভুক্ত করার জন্য বেশ কয়েকটি উপায় আছে !

২]দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তীব্র ব্যথা অপেক্ষা দীর্ঘকাল স্থায়ী হয় এবং সাধারণত কিছুটা চিকিত্সা প্রতিরোধী।এটা সাধারণত একটি দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা, যেমন অস্টিওআর্থারাইটিস সঙ্গে যুক্ত করা হয়।কিছু ক্ষেত্রে, যেমন ফিব্রোমিয়ালগিয়া সঙ্গে, এটি রোগের সংজ্ঞাগত বৈশিষ্ট্য এক।ক্রনিক ব্যথা ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুর জন্য হতে পারে,কিন্তু ব্যথা খুব ঘন ঘন হয় স্নায়ু ক্ষতির কারণে।
উভয় তীব্র এবং ক্রনিক ব্যথা ডেবিলিটেটিং হতে পারে,এবং উভয় একটি ব্যক্তির মনের অবস্থা দ্বারা প্রভাব বিস্তার করতে এবং প্রভাবিত হতে পারে।কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার প্রকৃতি -অনেক সময়ে কম বেশি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রায় স্থির মনে হয় -যার ফলে মনস্তাত্ত্বিক পরিণতিতে এটি আরো বেশি সমবেদনশীল করে তোলে বিষণ্ণতা এবং উদ্বেগ একই সময়ে, মানসিক যন্ত্রণা বাড়িয়ে দিতে পারে।
প্রায় 70% মানুষ দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার জন্যে ব্যথা-ঔষধের দ্বারা চিকিত্সা করা হয় ! অভিজ্ঞতার কথায় যাকে ব্রেক থ্রু পেন বলে।ব্রেক থ্রু পেন বোঝায় যে ব্যথার জন্য ঔষধ নিয়মিত ভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ! অনেক সময়ে এই ঘটনা আপনা আপনি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ঘটতে পারে যখন কেউ বিছানাতে ছটফট করে তাকে আপাতদৃষ্টিতে flares of pain অগ্নিতরঙ্গ ব্যথা বোঝায়।অনেক সময় ওষুধের পরবর্তী ডোসের সময় আসন্ন হওয়ার আগে অথবা সময় পেরিয়ে গেলে হতে পারে ! ছাড়াও অন্যান্য উপায় ব্যথা শ্রেণীবদ্ধ করা হয় ব্যথা প্রায়শই শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, ব্যাথা যে কারণে উৎপন্ন হয় অথবা যে কারণে অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ! দুটি প্রধান শ্রেণির ব্যথা উৎপন্ন হয়

১]টিস্যু ক্ষতি দ্বারা, নোসিসেপ্টিভ ব্যথা বলা হয়, এবং

২]স্নায়ু ক্ষতি দ্বারা সৃষ্ট ব্যথা, নিউরোপ্যাথিক ব্যথাও বলা হয়।

একটি তৃতীয় শ্রেণি মনস্তাত্ত্বিক ব্যথা, যা ব্যথা যা মনস্তাত্ত্বিক কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়।সাইকোজনিক ব্যাথা প্রায়ই টিস্যু ক্ষতি বা স্নায়ু ক্ষতির একটি শারীরিক উত্স আছে,কিন্তু যে ক্ষতি দ্বারা সৃষ্ট ব্যথা বৃদ্ধি বা দীর্ঘায়িত হয় কিছু কারণগুলি দ্বারা যেমন--- ভয়, বিষণ্নতা, চাপ, বা উদ্বেগ কিছু ক্ষেত্রে, ব্যথা একটি মানসিক অবস্থা থেকে উৎপন্ন হয়।ব্যথা যে টিস্যু যে জড়িত বা শরীরের অংশ যার দ্বারা প্রভাবিত শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।উদাহরণস্বরূপ, ব্যথা পেশির ব্যথা বা জয়েন্ট গুলোর ব্যথা হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে। অথবা ডাক্তার আপনাকে বুকের ব্যথা বা পিঠের ব্যাথা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

কিছু ধরনের ব্যথা উপসর্গ বা সিন্ড্রোম বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, মিওফ্যাসিয়াল ব্যথা সিন্ড্রোম বোঝায় যা শরীরের পেশীগুলির মধ্যে অবস্থিত ট্রিগার পয়েন্ট দ্বারা সেট হয়। ফিব্রোমিয়ালগীয়া Fibromyalgia একটি উদাহরণ।টিস্যু ক্ষতি দ্বারা সৃষ্ট ব্যথা অধিকাংশ ব্যথা টিস্যু ক্ষতি থেকে আসে। ব্যথা শরীরের টিস্যু একটি আঘাত থেকে জন্মায়। আঘাত হাড়ে, নরম টিস্যু,বা অঙ্গ হতে পারে। শরীরের টিস্যুতে আঘাত ক্যান্সারের মতো রোগ থেকে আসতে পারে অথবা এটি শারীরিক আঘাত থেকে আসতে পারে যেমন একটি কাটা অথবা ভাঙা হাড় থেকে আসতে পারে। আপনার শরীরে ব্যথা হতে পারে এমন একটি ব্যথার উৎস হতে পারে,একটি ধারালো ছুরি,বা একটি ঘাতক আঘাত !এই ব্যাথা আসতে এবং যেতে পারে, বা এটি কম বেশি হতে পারে।আপনি যখন হাঁটবেন বা হাসবেন তখন আপনি ব্যথা অনুভব করতে পারেন কখনও কখনও, শ্বাস গভীরভাবে গ্রহণ করলে তা তীব্র ব্যাথার সৃষ্ঠি করতে পারে।

টিস্যু ক্ষতি থেকে ব্যথা তীব্র হতে পারে।উদাহরণস্বরূপ, একটি মচকে যাওয়া গোড়ালির মত ক্রীড়া আঘাতে বা টার্ফটো পায়ের পাতার প্রায়ই নরম টিস্যুর আঘাতের দরুন হয়।অথবা এটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, যেমন বাতের বা 
দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা।এবং কিছু চিকিৎসা ,যেমন ক্যান্সারের জন্য বিকিরণ,এছাড়াও টিস্যু ক্ষতি হতে পারে যে ব্যথা ফলাফল।

স্নায়ু ক্ষতি দ্বারা সৃষ্ট ব্যথা

স্নায়ু সংকেত প্রেরণ বৈদ্যুতিক তারের মত ফাংশন,করে ! সুস্থ মানুষের ব্যথা সংকেত স্নায়ু দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ,থেকে মস্তিষ্কে এবং সেখান থেকে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গে সংকেত প্রেরণ করতে সক্ষম এবং অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এই সংকেতের কার্য প্রণালী বাধিত হয় ! উদাহরণ স্বরূপ, স্নায়ু তন্ত্রের গোলোযোগে আপনি আপনার শরীরে পোড়ার জ্বালা অনুভব করতে পারেন যদিও আপনার শরীর পুড়ছেনা বা পোড়েনি ! স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে,ডায়াবেটিসের মত রোগ দ্বারা অথবা মানসিক আঘাত (ট্রমা) দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।কিছু কেমোথেরাপি ড্রাগ দ্বারা স্নায়ু ক্ষতি হতে পারে।স্ট্রোকের ফলে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা (HIV) সংক্রমণ থেকে, অন্য কারণগুলির মধ্যে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত, ব্যথা সেন্ট্রাল স্নায়বিক সিস্টেম (সিএনএস) ক্ষতির ফলে হতে পারে,যা আমাদের মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের মধ্যে রয়েছে।অথবা এটা পেরিফেরাল স্নায়ুর ক্ষতি থেকে হতে পারে, সেই স্নায়ু গুলি যা আমাদের সর্ব শরীরে বর্তমান এবং CNSসংকেত পাঠাতে সক্ষম 



 এNo automatic alt text available. ।No automatic alt text available.

Friday, November 10, 2017

दिलका मेल


दिलका मेल 

जो कुछ था मेरे पास वह मैंने दिल खोलके दियाक्यू मै कहता फिरू क्या क्या तुमने मुझसे लिया !
क्या वाकई में तुम नहीं समझती मेरा समर्पण या फिर तुम परख रही हो मेरा ह्रदय और मन !

सीप कभी कहे मोती से तेरा सब कुछ मुझको दे सब कुछ लेकर ही मोती रहती सीप के सीने में !


चांदनी में जो सुख मिलता है वह सूरज का ही है देनपर तुमने देखा न होगा सूरज को करते अभिमान !


बिन मांगे जब कोई देता उसे लेना चाहिए खुशीसे दाता और ग्रहीता दोनों झूम उठते तब उल्लास से !


लेखक डॉ प्रदीप कुमार मैत्रा ०९/११/१७

Saturday, October 28, 2017

হটাৎ দেখা

হটাৎ দেখা
 ভাবছিলাম আমার "বাংলা লিখুন" এর  বন্ধুদের কথা, তারা  কি পড়তে ভালো বাসে,পছন্দ করে, আনন্দ পায় 
ইত্যাদি ! এইসব ভাবছি এমন সময় শুনলাম রবি ঠাকুরের আবৃতি "হটাৎ দেখা" আর আমার মনে পড়লো এই গল্পটা !সঙ্গে সঙ্গে লিখে ফেললাম  মনে হয় বন্ধুদের ভালো লাগবে !
=================================
সুধা আমার থেকে দু বৎসর জুনিয়ার ছিল কলেজ ! আমি একবার ক্লাসে গাড্ডা খাওয়াতে ও আমার এক ক্লাস নিচে
হলো ! সুধা ওর বাবার ভোপাল থেকে ট্রান্সফার হওয়ার দরুন সেখান  থেকে আমাদের শহরে এসেছিলো ! একদিন আমি একলা কেমিস্ট্রি ল্যাবে বসে একটা নোট লিখছিলাম হটাৎ সুধা এসে আমাকে নমস্কার করে বললো স্যার আমার নাম সুধা আমাকে একটু হেল্প করবেন ?
এটা আমাদের প্রথম মিলন ছিল আর আমি সুধা কে জানতাম না আর আগে দেখিনি কোনো দিন ! আমি ওর দিকে তাকালাম মেয়েটি বেশ সুন্দর লম্বা চুল দেখতে বেশ ভালোই ! আমি ওকে প্রতি নমস্কার করে বললাম এই ল্যাবে অন্য স্টুডেন্টদের ঢোকা ব্যারন তুমি জানো ?
সুধা বললো জানি স্যার তবে আপনাকে একলা পাবো বলে এসেছি !
আমি বললাম একলা মানে তুমি কি করতে চাও ? ও বললো কিছু না এই এপ্লিকেশন ফর্ম টা ভরতে একটু সাহায্য করলে বাধিত হবো !
আমি বললাম এই কথা, আমি তো ঘাবড়ে গিয়েছিলাম,এই ভেবে  কি তোমার মতো একজন সুন্দরী আমার কাছে কি চায় ? সুধা লজ্জা পেলো আর বললো ধন্যবাদ স্যার আপনিও খুব চারমিজি আর হ্যান্ডসম ! আমি বললাম "মাকাল ফল" আমি কোনো কর্মের নয় একবার গাড্ডা খেয়েছি ! সুধা বললো এরকমটি আর বলবেন না স্যার !
আমি বললাম সুধা এখন ক্লাস শুরু হবে তুমি একটার পরে এস কিংবা ফর্মটা আমার কাছে রেখে যাও আমি ভরে জমা করে দেব ! সুধা আমাকে ফর্ম দিয়ে চলে গেলো !
আমি তো ফর্ম ভরতে গিয়ে অবাক হলাম সুধার এডুকেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড দেখে, সে অসাধারণ মেধাবী  ছাত্রী সমানে ফার্স্ট সেকেন্ড হয়ে আসছে ! আর ও ন্যাশনাল স্কলারশিপ হোল্ডার ! পাস্ করলেই চাকরি !
আমার নিজেরই লজ্জা হচ্ছিলো  ওর সঙ্গে ওই ভাবে কথা বলার জন্য ! ভাবলাম একবার সরি বলবো ! তার পর দু একবার সুধার সাথে করিডরে  দেখা হয়ে ছিল আর নমস্কার বিনিময় হয়েছিল ! কিন্তু আমার মনে সবসময়ে ইনফিরিওরিটি কমপ্লেক্স ছিল আর আমি ভাবতাম আমিও যদি মন দিয়ে পড়া শোনা করতাম তাহলে সুধার সাথে বন্ধুত্ব করতাম !  যাক যা হবার নয় তা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লাভ নাই !
আমি পরীক্ষার পর আসানসোল বাবার কাছে চলে এলাম ! বাবা যে কোম্পানিতে কাজ করতেন সেই কোম্পানি আমার জন্য কাজ  জোগাড় করে দিলো !
জুন মাসে খবরের কাগজে রেজাল্ট বেরোলো আমি আমার ফাইনাল রেজাল্ট টা দেখার পর  সুধার রেজাল্ট দেখলাম !
পরের বছর কনভোকেশনে গেলাম ডিগ্রি নিতে ! সেখানে  গিয়ে শুনলাম সুধা সেই বছর ইউনিভার্সিটি তে টপ করে স্কলারশিপ নিয়ে ডক্টরেটে করছে ! মনে মনে ভাবলাম এত ভাল স্টুডেন্ট, হওয়া উচিত আমার মত গাড্ডা খাওয়া স্টুডেন্ট তো নয় ! তবে জেনে আশ্চর্য হলো যে সুধা আমার খোঁজ করতো আর  আমি যে বাসায় থাকতাম সেখানে গিয়ে খোঁজ  খবর নিয়েছে অনেকবার আমি এখন কোথায় আছি !

আমি ডিগ্রি নিয়ে চলে আসলাম ! আমার কর্ম ক্ষেত্রে যে গুরু ছিলেন তিনি আমাকে ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স থেকে  বের করলেন তিনি আমাকে বললেন ডিগ্রি শুধু মাত্র তোমাকে শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রদান করে ! তুমি কাজকে ভালোবাস তুমি কাজে প্রথম হও !আমি সংকল্প নিলাম খুব মন দিয়ে কাজ করবো যাতে কাজে প্রথম হতে পারি !
এরপর আমার বিবাহ হলো সন্তান হলো আমি সুধা কে ভুলে গেলাম ! এরপর আমি ডক্টরেটে করলাম আর কর্ম ক্ষেত্রে প্রমোশন পেতে পেতে জেনারেল ম্যানেজার পদে পদস্থ হলাম !
তখন আমার বিরাট প্রতিপত্তি ! বিরাট ল্যাবরেটরি আমার কন্ট্রোলে বহু রিসার্চ হচ্ছে দেশে বিদেশে আমার লেখা আর্টিকেল ছাপছে ! আমি এডুকেশন ফিল্ডে থাকলে এসব কিছুই হত না মনে হয় ! কিন্তু সুধার কাছ থেকে অদৃশ চাপ সৃষ্ঠি না হলে হয়ত মাস্টার মশাই হয়ে পড়াতাম আর পড়ানতে সুখ্যাতি পেতাম কিনা তাতেও সন্দেহ আছে !
একবার আমি প্রতিরক্ষা দপ্তরের অনুরোধে হটাৎ একটি বিশেষ অ্যালুমিনিয়াম আলোয় সংক্রান্ত ব্যাপারে হায়দরাবাদ গিয়ে ছিলাম ! পুজোর ছুটির দরুন ট্রেনে /প্লেনে  কোনো জায়গা পাওয়া যাচ্ছিলোনা প্রতিরক্ষা দপ্তরের কোটাও ফুল তবে একজন এজেন্ট বলেছে যে একটা এসি ফার্স্ট ক্লাসকূপে তে একটা সিট খালি আছে নাগপুর পর্যন্ত আর নাগপুর থেকে আমাকে বাই রোড যেতে হবে ! আমি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম আর সন্ধ্যা বেলা আমাকে প্রতিরক্ষা বিভাগের লোকেরা দলবল নিয়ে এসে  আমাকে কেবিন এ তুলে দিয়ে গেলো !
গাড়ি ছাড়লেপরে আমি দেখলাম আমার সহযাত্রী একজন মহিলা ! আমি নমস্কার করে মহিলা কে বললাম সরি ম্যাডাম আপনাকে বিরক্ত করবার জন্য !
হটাৎ আমার মনে হলো মহিলাকে যেন কোথাও দেখেছি !মহিলা আমাকে নিজের পরিচয় দিলেন ভাইস চ্যান্সেলর নাগপুর ইউনিভার্সিটি মিস সুধা শ্রীবাস্তব আমি বললাম আমার নাম প্রদীপ মৈত্র ! মহিলা আমার দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললেন স্যার আপনি ? আমি বললাম সুধা তুমি ?
আমি ভালো করে চেয়ে দেখলাম সুধা সেই আগের মতোই আছে চুল পেকেছে চশমা লেগেছে ! সুধা বললো তোমার এক মাথা টাক দেখে তোমাকে চিনতে পারিনি ! সুধা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আমার কথা শুনলো !
আমি বললাম তোমার কথা বলো !সুধা বললো আমার কোনো কথা নাই নিঃসঙ্গ জীবন !
আমি বললাম তুমি বিয়ে করোনি ? সুধা বললো আমার মতো বিদুষি মহিলা কে বিয়ে কে করবে ? যে করতে পারতো সে তো আর ধরা দিলোনা ! তাই আমি একাকিনী ! আমি জিজ্ঞাসা করল    কে সেই হতভাগা যে তোমার মতো সুন্দরী আর বিদুষিকে প্রত্যাখ্যান করেছে ! সুধা বললো এখন আর বলতে দোষ নাই সে আমার সামনে বসে আছে !
আমি বললাম সে কি সুধা তুমি তো কখনো আমাকে তোমার মনের কথা বলোনি ?
কি করে বলবো প্রথম দিন তুমি আমাকে লিফ্ট দিলে না বরঞ্চ আমার আবার তোমার সাথে দেখা করার পথ বন্দ করে দিলে  আমার এপ্লিকেশন ফর্ম নিজে ভরে নিজেই জমা দিয়ে দিলে, আর পরীক্ষার পর শহর ছেড়ে কোথায় চলে গেলে কেউ বলতে পারলোনা !
আমি স্তম্ভিত হয়ে সুধা কে বললাম তোমার আমার বন্ধুত্বের বাধক হয়ে ছিল তোমার ওই এপ্লিকেশন ফর্ম ! সুধা আশ্চর্য্য হয়ে বললো সেটা কি করে ? আমি বললাম তোমার একাডেমিক রেকর্ড দেখে আমি ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স এ ভুগছিলাম তাই তোমার থেকে দূরে চলে গিয়ে ছিলাম, এমনটি নয় যে তোমাকে আমি পছন্দ করিনি !
-----
 হটাৎ দেখা ---দ্বিতীয় পর্ব
আমি বললাম সুধা তোমার  এতো প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও কেন তুমি আমার মতো একটি সাধারণ ছেলেকে যার কোনো ভবিষৎ নাই, মনের মধ্যে রোমান্টিক ফিলিং নাই তার প্রতি কেন অনুরক্ত হলে ?
সুধা বললো আমার মা বাঙালি ছিলেন আর আমি বাঙালিদের ভালোবাসি আর প্রথম দিন কলেজ এসে তোমাকে দেখে আমার খুব ভালো লেগেছিলো ! তুমি যে কিশোরে কুমারের গান গাইতে কলেজ ফাঙ্কশনে আমি তোমার গান শুনে পাগল হয়ে যেতাম ! তোমার কলেজে ফাইনাল ইয়ার  ছিল  আর আমার প্রিভি ! আমি জানতাম তুমি কলেজ ছেড়ে চলে
যাবে, কিন্তু আমি ভাবতে পারিনি তুমি হটাৎ শেষ পরীক্ষা দিয়ে সেই দিন চলে যাবে ! পরীক্ষার আগে যে ফেয়ারওয়েল হয়  সেই স্মৃতি ছাড়া আমার কাছে তোমার কোনো চিহ্ন ছিলোনা যা দিয়ে তোমাকে খুঁজতাম !আমি খবর পেয়ে ছিলাম তুমি কনভোক্যাশনে আসচ্ছ আমি তখন এলাহাবাদ ইউনিভার্সিটি তে প্রফেসর অরুণ কুমার দে স্যারএর কাছে  রিসার্চ করছিলাম কিন্তু বিধাতার বিধান রাস্তায় আমার ট্যাক্সি এক্সিডেন্ট করলো আমিও দুর্ঘটনায় আহত হলাম ! আমার সুস্থ  হতে দিন পনেরো লাগলো ! তোমার ফটো জোগাড়করে তারপর আমার পরের বছর কনভোকেশনের ফটোর সাথে এনলার্জ করে আমার বাসাতে রেখেছি ! তোমার হয়তো গল্প মনে হচ্ছে, তবে এই দেখো তোমার কত ফটো আমার কাছে আছে ! আমি সব কলেজের  ফাইল থেকে আর কিছু তোমার বন্ধুদের কাছ থেকে চেয়ে নিয়েছি,তোমার বন্ধুরা নিশ্চিত ছিল যে আমাদের মিলন হবে !
আমি সুধার  কোথায় অভিভূত হয়ে গেলাম আর ভাবতে লাগলাম কোনো মেয়ে  কাউকে এভাবে কি করে ভালো বাসতে  পারে ?
তখন রাত আটটা বেজে গিয়েছিলো ভেন্ডার এসে জিজ্ঞাসা করলো ডিনার চাই কিনা আমি দু প্লেট ভাত আর ফুল রোস্ট চিকেন এর অর্ডার দিলাম সুধা বললো এক প্লেট ভাত দিয়ো কিন্তু সব প্লেটে দেবে ফয়েল করে দেবে না ! আমার কাছে আরো খাবার আছে বলে সুধা নিজের ব্যাগ থেকে খাবার বার করলো ! ভেন্ডার যেই খাবার দিয়ে গেলো সুধা ওকে পেমেন্ট করে দিলো ! আমি বললাম একি করছো সুধা আমি তোমার সিনিয়র এটা আমার প্রিভিলেজ আমার এতদিনের পুরোনো বন্ধু কে কেন বঞ্চিত করছো ? বেশ করছি এটা  যদি আগে করতাম তাহলে আজ আমি সংসারী হতাম !
আমরা দুজনেই বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে স্লিপিং স্যুট পরে খেতে বসলাম ! সুধা বললো স্যার আমার একটা অনুরোধ রাখবেন আমি বললাম একটা না তুমি যা বলবে আমি মানতে বাধ্য, যদিও অজান্তে তোমাকে কষ্ট দিয়েছি কিন্তু তার কিছু প্রায়শ্চিত্ত তো করতে হবে !
আমি বললাম বলো কি তোমার অনুরোধ, সুধা বললো কিছুনা শুধু তোমাকে আজ আমার হাতে খেতে হবে বলে আমার গদিতে এসে বসলো!
সুধা মুরগির ঝোল দিয়ে ভাত মাখলো আর আমাকে খাওয়াতে থাকলো !আমি বললাম সুধা  তুমিও খাও ও বললো তুমি খাইয়ে দাও ! এইভাবে আমাদের দুজনের মধ্যেকার ঘনিষ্ঠতা বাড়তে লাগলো ! সুধা কি সেন্ট মেখেছিলো জানিনা তবে অদ্ভুত একটা মাদকতার সৃস্টি করেছিল ওকে অপূর্ব সুন্দরী লাগছিলো !আমাদের খাওয়া শেষ হতে হতে প্রায় রাত বারোটা বেজে গেলো !
সুধা বললো আমার দ্বিতীয় আবদার তুমি কিশোরে কুমারের সেই গানটা করো  যেটা শুনে কলেজের মেয়েরা নাচতে শুরু করেছিল --আমি বলছি লিরিক্স -
চিঙ্গারি  কোই ভড়কে, তো  শাওন  উসে  বুজায়ে 

শাওন  জো  আগান   লাগায়ে , উসে  কাউন  বুজায়ে ?
 

আমি বললাম এতদিন পরে এই গানটা গাইতে পারবো ? সুধা বললো গয়না প্লিজ !
আমি বহুদিন পরে গানটা গাইলাম সুধা আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার গালে একটা চুমু খেলো আর ওর দুই চোখ দিয়ে
ঝড় ঝড় করে জল পড়তে লাগলো !আমি সুধার বন্ধন মুক্ত হয়ে, ন্যাপকিন দিয়ে ওর চোখ মুছতে লাগলাম !
লেখক --ড্: প্রদীপ কুমার মৈত্র ২৭/১০ /১৭

Thursday, October 19, 2017

साधन बाबू की मौत

साधन बाबू की मौत
[ गृहस्वामी  की मृत्यु के बाद,संपत्ति के बटवारे को लेकर  आज के परिवार में जो लड़ाई लड़ी जाती है, वह आज साधन बाबू को  उनके सपने में दिख गई।]
=====================================================
साधन बाबू रात को छाती में एक गंभीर दर्द में अस्थिर हो गय। अतिशयोक्ति नहीं, उन्हें ऐसा लगा की दिल का एक टुकड़ा उनके गले में फंस गया है और वायुमार्ग को दबादिया है। साधन बाबू ने एक बार चिल्लाया और सोती हुई पत्नी को बगल वाले कमरे से बुलाने का प्रयास किया पर असफल रहे। उनके गले से कोई आवाज नहीं निकल रही थी ! साधन बाबु को पता चल रहा था की उनका समय समाप्त हो रहा है, लेकिन उनके पास कुछ भी करने की कोई शक्ति नहीं थी। आखिरकार वह धीरे-धीरे मृत्यु की गोद में समां गए !
सुबह पत्नी की जोरसे रोने पर मकान के आसपास रहने वाले अपने अपने घर से बाहर गए ! साधन बाबू की आँखे खुली हुई थी ! वह स्पष्ट रूप से पत्नी और पड़ोसियों को देख रहे थे और उनलोगो की बातचीत सुन पा रहे थे ! अब क्या करना है इस बारे चर्चे हो रही थी !एक ने कहा भाभीजी बैंक का चेकबुक और टी एम कार्ड सही जगह पर है ? दादा किसी को बिना परेशां किये अचानक कैसे चले गए, आप भाग्यबती हैं महोदया ! एकबार सोचिए अगर दादा को नर्सिंग होम में डालते तो आज के ज़माने में कितना खर्च होता ?
दूसरे ने कहा यह कोई कहनेवाली बात है क्या,एक बार वहां गए तो पूरा चूस कर आदमी को छिबड़ा बना देते हैं ! मेरे छोटे साले की समधी को मरने के बाद सात दिन वेंटिलेटर में रखने का साढ़े तीन लाख का बिल बना दिया था ! जब की वह सातदिन  शब्गृह के फ्रीजर में थे ! आपकी किस्मत अच्छी है लेकिन इस तरह,उनका अचानक चले जाना काफी दुखद है, शायद उनको आखरी समय में गंगा जल भी नहीं मिला होगा ! लेकिन आप निश्चित रूप से गया जाकर उनका पिंड दान कीजियेगा ! कोई जल्दी नहीं है, लेकिन उस अवसर पर राजगीर, नालंदा, बुद्ध गया भी एक बार देख लीजियेगा !
पत्नी ने कहा घूमने की बात छोड़िये, मेरी जो शारीरिक हालत है वह घूमने लायक नहीं है ! यदि आप लोग थोड़ी चाय पिएंगे तो मै पानी चढ़ा के आती हूँ ! हमें लड़के लड़की को खबर देने की व्यवस्था करनी है, मैं अकेले ही हूं " क्या क्या करू !
"हां, डॉक्टर को भी खबर करना होगा, मौत प्रमाण पत्र भी चाहिए शब् जलाने के लिए "
साधनबाबू सभी बातें सुन पा रहे थे भले ही वह थोड़ा धुंधला हो, वह सब कुछ देख पा रहें है, लेकिन समस्या यह है कि वह अपनी मृत्यु हो जाने के कारण गर्दन नहीं हिला पा रहे थे। नतीजन, कुछ लोंगो को नहीं देख पा रहे थे !
लड़का-बहु, लड़की-दामाद, पोते-पोति सभी आए थे !साधन बाबू पोता- पोती को थोड़ा गले लगाकर प्यार करना चाहते है, लेकिन उनका हाथ पैर नहीं चल रहे है और अगर हाँथ पैर चलाया तो लोग डर जायेंगे ! बच्चो की इच्छा थी की अपने दादाजी के पास जाये लेकिन उन्हें यह अबसर नहीं मिला और उनको बगल के कमरे में भेज दिया गया !
लड़का और दामाद अंतिम संस्कार के बारे में चर्चा करने में व्यस्त थे। उनके शव को कैसे ले जाया जा सकता है, कैसे जलाया जा सकता है, बिजली-चूल्हा में या लकड़ी से आदि।
साधन बाबू कई बार सोचते थे कि उनके पिता की मृत्यु के बाद उनका शव जंहा अंतिम संस्कार किया गया था वही साधन बाबू का भी अंतिम संस्कार किया जाये ! लेकिन अब उनकी इच्छा-अनिच्छा का कोई मूल्य नहीं है,! शायद उसे स्थानीय मुक्ति धाम में जलाया जाये ! अब साधन बाबू को जलने के बारे में सोच कर डर लगने लगा ! एक बार जब उनके हाथों में गरम पानी गिर गया था तो बहुत जलन हुई थी !
 यद्दपि  साफ़ सुनाई नहीं दे रहा था फिर भी बगल वाले कमरे में गप्शप और ठहाके का दौर चल रहा था वंहा मौत का कोई गम किसी को नहीं था, कोई शोक नहीं था ! इधर  इस कमरे में उनके बेटे और दामाद  के अलावा कोई नहीं हैउन् लोंगो ने अलमारी खोली  और सभी कागजात, बैंक और डाकघर का पासबुक, फिक्स्ड डिपॉजिट के सर्टिफिकेट्स को निकलाजो मिला उसके अलाबा कुछ और है की नहीं इस बारे में बिबाद भी हुआ !  असहमतियां शुरू हो गई हैं, बैंक लॉकर खोलने के समय माताजी के साथ कौन चलेगा इस बात को लेकर !
  कुछ समय बाद,बेटी और बहु दोनों  कमरा खाली देखकर अंदर आती हैऐसा लग रहा था की वे भी अलमारी खोलना चाहती  हैं, लेकिन यह संभव नहीं है क्योंकि उन्हें कुंजी नहीं मिल पाई !बेटी की इच्छा है की उसके माता के गहने को समान समान दो  भागों में  बाँटा जाये ! चूंकि मां को अब गहने पहनने का अवसर नहीं है, इसलिए यह वांछनीय है कि  बटवारा अब करना चाहिएबहु को इस बात पर बहुत आपत्ति है, दो-भागो में साझा करने का कोई सवाल ही नहीं उठता है सास के सारे गहने बहु को मिलना चाहिए।"क्यों ननदजी, सुना है आपके पिताजी  ने तो आपको पर्याप्त धन शादी के समय दे दी,है! क्या  उससे आपका मन नहीं भरा जो अब आपको मेरे हक मेंसे भी हिस्सा चाहिए  ?" 
क्या बात कर रही हो भाभी ?"मैं खुश हूं, मेरे पिता ने मुझे क्या दिया ?बचपन से मैं  उपेक्षित थी नहीं देखा, एक अच्छा खिलौना, अच्छे ड्रेस कभी भी   लेकिन मेरे पिता की आय कुछ  कम नहीं थी !मैंने पूरे जीवन में एक ही कहानी सुनी है, भविष्य, बचत, और सुरक्षा सुना हैहम  भविष्य में अच्छे रहेंगे इस लिए बर्तमान को बर्बाद कर दूँ  ? मन की इच्छा क्यू नहीं  पूरी कंरू ?कब फिक्स्ड डिपाजिट मेच्योर होगी उसके लिए इंतज़ार करूँ ? इन्सुरेंस का पैसा जीते जी नहीं मिलता ! खाली जिंदगीभर प्रीमियम भरते जाओ और सूखी रोटी 
खाओ!मै अपनी  मन की इच्छा क्यू   पूरी कंरू ? उस समय  तुम कहा थी जब हम तकलीफ में जी रहे थे, बड़ी आई मुझे समझने मै क्या करू और क्या करूआपके विवाह में, आपके पिताजी  ने भी कई साड़ियां, गहने दीं है, इसलिए आप अपने पिता की संपत्ति का हिस्सा नहीं लेंगी आप भी जीवित रहोगी , मैं भीजीवित रहूंगी , मैं देखूंगी  कि आप  क्या करती हो
"और सुन बड़े बाप की बेटी, सास की दौलत पर बहु का कोई हक़ नहीं होता है ! ससुर के दौलत में बेटे का हक होता है ! अब हम भाई बहन जो तै करेंगे वह तुम्हे और तुम्हारे नन्दोई को मानना पड़ेगा,हम दोनों इस घर के बच्चे है तुम दोनों बाहर वाले हो! अभी तो मै तुम्हे समझा रही हूँ, समझ जाओ तो इसमें भलाई है तुम्हारी
ननद जी  "अगर तुम्हारा भाई माके गहने लेता है और मुझे देता है तब  क्या होगा? वह आपके भाई  और आपके भतीजे की  भलाई के लिए ही लेगाआपका भाई और भतीजा  थोड़ा बेहतर जिंदगी जिए  आप यह  भी नहीं चाहती ? धन्य हैं आपका लालच की सीमा"
भौजी "मेरे पास क्या परिवार नहीं है,  मेरे पति को थोड़ा बेहतर जिंदगी नहीं जीना चाहिए ? मेरी बेटी को एक अच्छे स्कूल में होना चाहिए की नहीं , आप क्या ऐसा  चाहती  हैं?"
साधन बाबू सब सुन रहे थे और  एक बार सोचा भी था कि एक वसीहत बनानी  चाहिएसाधन बाबू यह भी सोचे की  ननद-भौजाई को शांत किया जाये ! लेकिन इस बीच, पत्नी अंदर आई वह झगड़ा के पीछे के कारण जानकर  खुद को कंट्रोल  में नहीं रख सकी !
पत्नी चिल्लाई , पिताजी के पर्थिब शरीर  का संस्कार नहीं हुआ है और तुम दोनों को दौलत हथियाने की पड़ी है और आपस में झगड़ रही हो ! क्या बात है तुम दोनों गहने और दौलत आपस में बाँट लो और मैं भिखारिन बन जाऊं यही चाहत है तुम्हारे ? जीवन में कितनी  इच्छाएं थीं मेरी ?  "एक सुव्यवस्थित गराज सहित  फ्लैट, एक सूंदर कार ! जिंदगी भर तुम्हारे पापा ऑफिस ऑफिस खेलते रहें और मै जान देकर घर चलती रही अब मै एक सूंदर फ्लैट और गाड़ी खरीदूंगी और उसमे रहूंगी ! तेरे पिताजी परिवार परिवार करते करते मर गए, और उनका परिवार उनके मरने के साथ साथ दौलत बटोरने लग गए !मैंने अपनी पूरी जिंदगी गवां दी तुम्हे और तुम्हारे भाई को पालने में ! अब मै अपनी इच्छा पूरी करुँगी ! और यह जान लो यह माकन ज़मीन जायदाद फिक्स्ड डिपॉजिट्स सब मेरे नाम पर है ! जेबरात सब मेरे स्त्री धन है ! जब तक मै तुमलोंगो को दान नहीं करती सब मेरा है
साधन बाबू के मुँह के ऊपर दो मक्खिया बैठ गई थी और खुजली पैदा कर रही थी ! उस तरफ किसीका भी ध्यान नहीं थापत्नी फटाफट बगल के कमरे में चली गई शायद अतिथियों के लिए चाय बनाने ! अतिथि भगवन होते हैंअचानक घंटी बजती है, शयद डाक्टर साहब आगय डेथ सर्टिफिकेट बनाने के लिए !


यह रहा तुम्हारा चाय ! साधन बाबू का नींद टूट गया !पत्नी ने चाय का कप रक्खा और दरवाजा खोलने 
गई!और घर में काम करने वाली बाई का आगमन हुआ !
Dr Pradeep Kumar Maitra, 20/10/17 
Image may contain: one or more people