ব্যথা
বন্ধুগণ নমস্কার আপনাদের অনুরোধে এই সংকলন টা লিখলাম ! এই সাহিত্যগুলি সব বিদেশী ভাষায় পাবলিশ হয় তার সঠিক বাংলা লেখা খুব কঠিন তাছাড়া টেকনিকাল শব্দ গুলোকে বাংলায় ট্রান্সলেট করলে অদ্ভুত মানে বেরিয়ে আসে ! তাই এতো দেরি হলো ! আমাদের মধ্যেই অনেকে নিজের ডাক্তারি নিজেই করি তাই ব্যাথার পুনঃ আভিবাব হয় ! ব্যাথা হলে ডাক্তার বাবুর কাছে যাবেন পেন কিলার খাবেন না !
ব্যথার ধরন এবং শ্রেণীবিন্যাস
ব্যথা--- ব্যাথা আমাদের শরীরের একটি বিশেষ অনুভূতি বা গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সরঞ্জামগুলির মধ্যে একটি ! ব্যাথা আছে বলেই আমাদের শরীর নিরাপদ ! উদাহরণস্বরূপ কল্পনা করুন, যদি আপনি একটি গরম বস্তুর উপর আপনার হাত রাখেন আর তখন যদি আপনার কোনো অনুভূতি না হয় তো আপ্ননার হাত ক্ষতি গ্রস্ত হয়ে যাবে! ব্যথা শরীরের এমন একটি উপায় যা আপনাকে কোনো ভুল কাজ করার থেকে সাবধান করে আপনাকে বিপদ মুক্ত থাকবার জন্য আদেশ করে এবং আদেশ অমান্য করলে শাস্তির প্রবলতার বৃদ্ধি হয় আর আদেশ পালন করলে শরীর বিপদ মুক্ত হয় !
ব্যথার ধরন-- মৌমাছির হুল , হাড় ভাঙা , বা দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা থেকেও আসতে পারে - এটি একটি অপ্রীতিকর সংবেদী এবং মানসিক অভিজ্ঞতাও। এর একাধিক কারণ আছে, এবং মানুষ একাধিক এবং স্বতন্ত্র উপায়ে এই অনুভূতির সাড়া দিয়ে থাকে। যদিও ব্যথার অনুভূতি এক ব্যক্তির থেকে অন্য ব্যক্তির মধ্যে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়, তবুও বিভিন্ন ধরনের ব্যথাগুলিকে শ্রেণীভুক্ত করা সম্ভব। এখানে বিভিন্ন ধরনের ব্যথার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হচ্ছে যেগুলি তাদের এক অপরের থেকে ভিন্ন প্রমান করে।
১]তীব্র (অসহ্য) ব্যথা এবং (ক্রনিক)দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা
ব্যথাকে শ্রেণীভুক্ত করার জন্য বেশ কয়েকটি উপায় আছে।যেমন তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মধ্যে তফাৎ করা সম্ভব ।তীব্র ব্যথা হঠাৎ আসে এবং একটি সীমিত সময়ের জন্য আসে ।এটি হাড়, পেশী, বা অঙ্গ, এবং প্রারম্ভিক ভাবে টিস্যু ক্ষতির দ্বারা, ঘন ঘন উদ্বেগ বা মানসিক কষ্ট দ্বারা,উৎপন্ন হয়।
ব্যথা শ্রেণীভুক্ত করার জন্য বেশ কয়েকটি উপায় আছে !
২]দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তীব্র ব্যথা অপেক্ষা দীর্ঘকাল স্থায়ী হয় এবং সাধারণত কিছুটা চিকিত্সা প্রতিরোধী।এটা সাধারণত একটি দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা, যেমন অস্টিওআর্থারাইটিস সঙ্গে যুক্ত করা হয়।কিছু ক্ষেত্রে, যেমন ফিব্রোমিয়ালগিয়া সঙ্গে, এটি রোগের সংজ্ঞাগত বৈশিষ্ট্য এক।ক্রনিক ব্যথা ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুর জন্য হতে পারে,কিন্তু ব্যথা খুব ঘন ঘন হয় স্নায়ু ক্ষতির কারণে।
উভয় তীব্র এবং ক্রনিক ব্যথা ডেবিলিটেটিং হতে পারে,এবং উভয় একটি ব্যক্তির মনের অবস্থা দ্বারা প্রভাব বিস্তার করতে এবং প্রভাবিত হতে পারে।কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার প্রকৃতি -অনেক সময়ে কম বেশি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রায় স্থির মনে হয় -যার ফলে মনস্তাত্ত্বিক পরিণতিতে এটি আরো বেশি সমবেদনশীল করে তোলে বিষণ্ণতা এবং উদ্বেগ একই সময়ে, মানসিক যন্ত্রণা বাড়িয়ে দিতে পারে।
প্রায় 70% মানুষ দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার জন্যে ব্যথা-ঔষধের দ্বারা চিকিত্সা করা হয় ! অভিজ্ঞতার কথায় যাকে ব্রেক থ্রু পেন বলে।ব্রেক থ্রু পেন বোঝায় যে ব্যথার জন্য ঔষধ নিয়মিত ভাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ! অনেক সময়ে এই ঘটনা আপনা আপনি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ঘটতে পারে যখন কেউ বিছানাতে ছটফট করে তাকে আপাতদৃষ্টিতে flares of pain অগ্নিতরঙ্গ ব্যথা বোঝায়।অনেক সময় ওষুধের পরবর্তী ডোসের সময় আসন্ন হওয়ার আগে অথবা সময় পেরিয়ে গেলে হতে পারে ! ছাড়াও অন্যান্য উপায় ব্যথা শ্রেণীবদ্ধ করা হয় ব্যথা প্রায়শই শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, ব্যাথা যে কারণে উৎপন্ন হয় অথবা যে কারণে অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ! দুটি প্রধান শ্রেণির ব্যথা উৎপন্ন হয়
১]টিস্যু ক্ষতি দ্বারা, নোসিসেপ্টিভ ব্যথা বলা হয়, এবং
২]স্নায়ু ক্ষতি দ্বারা সৃষ্ট ব্যথা, নিউরোপ্যাথিক ব্যথাও বলা হয়।
একটি তৃতীয় শ্রেণি মনস্তাত্ত্বিক ব্যথা, যা ব্যথা যা মনস্তাত্ত্বিক কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়।সাইকোজনিক ব্যাথা প্রায়ই টিস্যু ক্ষতি বা স্নায়ু ক্ষতির একটি শারীরিক উত্স আছে,কিন্তু যে ক্ষতি দ্বারা সৃষ্ট ব্যথা বৃদ্ধি বা দীর্ঘায়িত হয় কিছু কারণগুলি দ্বারা যেমন--- ভয়, বিষণ্নতা, চাপ, বা উদ্বেগ কিছু ক্ষেত্রে, ব্যথা একটি মানসিক অবস্থা থেকে উৎপন্ন হয়।ব্যথা যে টিস্যু যে জড়িত বা শরীরের অংশ যার দ্বারা প্রভাবিত শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।উদাহরণস্বরূপ, ব্যথা পেশির ব্যথা বা জয়েন্ট গুলোর ব্যথা হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে। অথবা ডাক্তার আপনাকে বুকের ব্যথা বা পিঠের ব্যাথা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।
কিছু ধরনের ব্যথা উপসর্গ বা সিন্ড্রোম বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, মিওফ্যাসিয়াল ব্যথা সিন্ড্রোম বোঝায় যা শরীরের পেশীগুলির মধ্যে অবস্থিত ট্রিগার পয়েন্ট দ্বারা সেট হয়। ফিব্রোমিয়ালগীয়া Fibromyalgia একটি উদাহরণ।টিস্যু ক্ষতি দ্বারা সৃষ্ট ব্যথা অধিকাংশ ব্যথা টিস্যু ক্ষতি থেকে আসে। ব্যথা শরীরের টিস্যু একটি আঘাত থেকে জন্মায়। আঘাত হাড়ে, নরম টিস্যু,বা অঙ্গ হতে পারে। শরীরের টিস্যুতে আঘাত ক্যান্সারের মতো রোগ থেকে আসতে পারে অথবা এটি শারীরিক আঘাত থেকে আসতে পারে যেমন একটি কাটা অথবা ভাঙা হাড় থেকে আসতে পারে। আপনার শরীরে ব্যথা হতে পারে এমন একটি ব্যথার উৎস হতে পারে,একটি ধারালো ছুরি,বা একটি ঘাতক আঘাত !এই ব্যাথা আসতে এবং যেতে পারে, বা এটি কম বেশি হতে পারে।আপনি যখন হাঁটবেন বা হাসবেন তখন আপনি ব্যথা অনুভব করতে পারেন কখনও কখনও, শ্বাস গভীরভাবে গ্রহণ করলে তা তীব্র ব্যাথার সৃষ্ঠি করতে পারে।
টিস্যু ক্ষতি থেকে ব্যথা তীব্র হতে পারে।উদাহরণস্বরূপ, একটি মচকে যাওয়া গোড়ালির মত ক্রীড়া আঘাতে বা টার্ফটো পায়ের পাতার প্রায়ই নরম টিস্যুর আঘাতের দরুন হয়।অথবা এটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, যেমন বাতের বা
দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা।এবং কিছু চিকিৎসা ,যেমন ক্যান্সারের জন্য বিকিরণ,এছাড়াও টিস্যু ক্ষতি হতে পারে যে ব্যথা ফলাফল।
স্নায়ু ক্ষতি দ্বারা সৃষ্ট ব্যথা
স্নায়ু সংকেত প্রেরণ বৈদ্যুতিক তারের মত ফাংশন,করে ! সুস্থ মানুষের ব্যথা সংকেত স্নায়ু দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ,থেকে মস্তিষ্কে এবং সেখান থেকে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গে সংকেত প্রেরণ করতে সক্ষম এবং অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এই সংকেতের কার্য প্রণালী বাধিত হয় ! উদাহরণ স্বরূপ, স্নায়ু তন্ত্রের গোলোযোগে আপনি আপনার শরীরে পোড়ার জ্বালা অনুভব করতে পারেন যদিও আপনার শরীর পুড়ছেনা বা পোড়েনি ! স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে,ডায়াবেটিসের মত রোগ দ্বারা অথবা মানসিক আঘাত (ট্রমা) দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।কিছু কেমোথেরাপি ড্রাগ দ্বারা স্নায়ু ক্ষতি হতে পারে।স্ট্রোকের ফলে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা (HIV) সংক্রমণ থেকে, অন্য কারণগুলির মধ্যে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত, ব্যথা সেন্ট্রাল স্নায়বিক সিস্টেম (সিএনএস) ক্ষতির ফলে হতে পারে,যা আমাদের মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের মধ্যে রয়েছে।অথবা এটা পেরিফেরাল স্নায়ুর ক্ষতি থেকে হতে পারে, সেই স্নায়ু গুলি যা আমাদের সর্ব শরীরে বর্তমান এবং CNSসংকেত পাঠাতে সক্ষম

